nsave: বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর সহজ, সস্তা ও স্মার্ট মাধ্যম।
প্রবাসে থেকে পরিবারের কাছে টাকা পাঠানো – এটা বাংলাদেশের লাখ লাখ পরিবারের জন্য নিত্যদিনের বাস্তবতা। কিন্তু ব্যাংকের উচ্চ ফি, খারাপ এক্সচেঞ্জ রেট, দেরিতে পৌঁছানো আর ঝামেলাপূর্ণ প্রক্রিয়া – এসব নিয়ে অনেকেই বিরক্ত। ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, মানি গ্রাম বা ট্র্যাডিশনাল ব্যাংক রেমিট্যান্সে ৫-৭% পর্যন্ত টাকা কেটে নেয়। ফলে যে ১০০০ ডলার পাঠান, পরিবার পায় অনেক কম।
nsave হলো একটি মোবাইল অ্যাপ-ভিত্তিক গ্লোবাল USD অ্যাকাউন্ট। আপনি যেখানেই থাকুন (আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য বা বাংলাদেশে), এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে:
- ফ্রি ACH/Wire-এ USD রিসিভ করুন (Upwork, Fiverr, Deel, ক্লায়েন্ট থেকে)
- USD ধরে রাখুন বা ইনভেস্ট করুন (US স্টক, ETF)
- মাত্র $1-এ BDT-তে কনভার্ট করে বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে পাঠান
- ভার্চুয়াল/ফিজিক্যাল Mastercard খরচ করুন
অ্যাপটি iOS ও Android-এ পাওয়া যায়। সাইনআপ মাত্র ২-৩ মিনিটে হয় – শুধু ইমেইল/ফোন আর NID/পাসপোর্ট দিয়ে ভেরিফাই করতে হয়।
কেন nsave বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সহজ মাধ্যম?
১. মাত্র $1 ফ্ল্যাট ফি
- ব্যাংক বা অন্য প্ল্যাটফর্মে ২০-৫০ ডলার ফি লাগে। nsave-এ USD থেকে BDT-তে পাঠাতে শুধু ১ ডলার। কোনো হিডেন চার্জ নেই।
- nsave মার্কেট রেটের খুব কাছাকাছি দেয় (কোনো মার্কআপ প্রায় নেই)। তার ওপর যোগ্য ট্রান্সফারে বাংলাদেশ সরকারের ২.৫% ইনসেনটিভ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যায়। অর্থাৎ আপনি ১০০০ ডলার পাঠালে পরিবার পায় ২.৫% বেশি (ব্যাংক/এজেন্টের মাধ্যমে যোগ্য হলে)।
৩. ইনস্ট্যান্ট বা সুপার ফাস্ট পেআউট
- bKash / Nagad / Upay: ১ মিনিটেরও কমে টাকা চলে যায় (এমনকি উইকেন্ডেও!)
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (BRAC, Islami Bank, City Bank, Eastern Bank ইত্যাদি সব বড় ব্যাংক): ১ কার্যদিবসের মধ্যে। কোনো ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট নয়, শুধু ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে।
৪. পুরোপুরি স্বচ্ছ ও নিরাপদ
- ট্রান্সফার করার আগেই আপনি দেখতে পাবেন ঠিক কত টাকা পৌঁছাবে। কোনো সারপ্রাইজ ফি নেই। nsave নিয়ন্ত্রিত এবং নিরাপত্তায় অত্যাধুনিক।
৫. প্রবাসী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আদর্শ
- বিদেশে থেকে ক্লায়েন্টের পেমেন্ট সরাসরি nsave-এ নিন। তারপর যখন খুশি $1-এ বাংলাদেশে পাঠান। অনেকে বলেন, “Payoneer বা Wise-এর চেয়ে অনেক সহজ ও লাভজনক।”
ধাপে ধাপে কীভাবে টাকা পাঠাবেন?
১. nsave অ্যাপ ডাউনলোড করুন (App Store/Google Play)
২. অ্যাকাউন্ট খুলুন – ইমেইল/ফোন দিয়ে সাইন আপ (২ মিনিট)
৩. ভেরিফাই করুন – NID বা পাসপোর্ট আপলোড (৫ মিনিটের মধ্যে অ্যাপ্রুভ)
৪. USD ফান্ড করুন – আপনার বিদেশি ব্যাংক থেকে ACH/Wire/PayPal/ক্রিপ্টো দিয়ে টাকা আনুন (ACH ফ্রি)
৫. ট্রান্সফার করুন
- নতুন রিসিপিয়েন্ট যোগ করুন (নাম + ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর/BIC অথবা bKash/Nagad নম্বর +880 দিয়ে)
- পরিমাণ লিখুন
- রিয়েল-টাইম রেট + $1 ফি দেখে কনফার্ম করুন
- ডান! টাকা চলে গেল।
বাস্তব উদাহরণ
ধরুন আপনি ১০০০ USD পাঠাচ্ছেন।
- অন্যান্য সার্ভিস: ফি ২৫-৪০ USD + খারাপ রেট (১-৩% কম) + ইনসেনটিভ মিস
- nsave: $1 ফি + বেস্ট রেট + ২.৫% ইনসেনটিভ → পরিবার পায় প্রায় ৫,০০০-৭,০০০ টাকা বেশি!
একজন ফ্রিল্যান্সার মাসে ৩,০০০ USD আয় করলে nsave দিয়ে বছরে হাজার হাজার টাকা বেঁচে যায়।
অন্যান্য সুবিধা
- মাল্টি-কারেন্সি Mastercard (USD, BDT, EUR, GBP-এ খরচ)
- US স্টক ও ETF-এ ইনভেস্ট (জিরো ফি)
- nsave-এর মধ্যে ফ্রি ট্রান্সফার
- ২৪/৭ সাপোর্ট (বাংলাদেশি ইউজারদের জন্য দারুণ রিভিউ)
শেষ কথা
বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো আর জটিল বা ব্যয়বহুল নয়। nsave দিয়ে আপনি সর্বোচ্চ টাকা পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন – দ্রুত, সহজ ও নিরাপদে। হাজার হাজার বাংলাদেশি ইতিমধ্যে সুইচ করেছেন Payoneer, Wise বা ব্যাংক থেকে nsave-এ।
আজই শুরু করুন!
nsave.com-এ যান অথবা অ্যাপ স্টোর থেকে “nsave” সার্চ করে ডাউনলোড করুন। প্রথম ট্রান্সফারে দেখবেন কত সহজ!
প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন। আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন – কে কোন পদ্ধতিতে টাকা পাঠায়?
nsave – টাকা পাঠানোর নতুন স্ট্যান্ডার্ড।
#nsave #RemittanceBD #FreelancerBD #BangladeshRemittance
(তথ্যসূত্র: nsave.com অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও হেল্প সেন্টার, ২০২৬ সালের হালনাগাদ তথ্য অনুসারে। ফি, রেট ও ইনসেনটিভ স্থানীয় নিয়মের ওপর নির্ভরশীল। সবসময় অ্যাপে চেক করুন।)
